রাজশাহী মহানগরীর পঞ্চবটি আহমপুর এলাকায় অবৈধভাবে একটি পুকুর ভরাটের ঘটনা জানতে পেরে তা উদ্ধারে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। কয়েকদিন ধরে কৌশলে ধীরগতিতে পুকুরটি ভরাট করা হচ্ছিল। ইতোমধ্যে পুকুরটির সিংহভাগ মাটি দিয়ে ঢেকে ফেলা হলেও মঙ্গলবার সকালে সেখানে অভিযান চালান প্রশাসনের কর্মকর্তারা। অভিযান শুরু হলে পুকুর ভরাটে জড়িতরা ঘটনাস্থল থেকে সরে পড়েন।
বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন এবং বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পুকুরটির মালিকানা রয়েছে প্রায় ১০ থেকে ১৫ জনের। তবে ভরাট কাজে সরাসরি জড়িত ছিলেন মালিকপক্ষের ৭ থেকে ৮ জন। তাদের মধ্যে স্থানীয় আনার, আরিফ, চঞ্চল, সুমন, চন্দন ও তারা উল্লেখযোগ্য। রাজশাহী–ঢাকা মহাসড়কের পাশে থাকা এই জমি প্রায় এক বছর ধরে স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহায়তায় ধীরে ধীরে ভরাট করা হচ্ছিল। বিষয়টি জানার পর বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার (ভূমি) একাধিকবার ঘটনাস্থলে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন। তবে সতর্কতা উপেক্ষা করে ভরাট কার্যক্রম চালু রাখায় প্রশাসন এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় পুকুর ভরাট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাই পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করা হয়েছে। এই পুনঃখনন কাজে যে ব্যয় হবে, তা পুকুর ভরাটকারীদের কাছ থেকেই আদায় করা হবে। ভবিষ্যতে রাজশাহীতে কোনো পুকুর ভরাট করতে দেওয়া হবে না। খবর পেলেই কাজ বন্ধ করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে।’ তিনি আরও জানান, পুকুর পুনঃখনন শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সেখানে দায়িত্ব পালন করবেন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন বলেন, ‘পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে পুকুর ভরাট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ভরাটকৃত পুকুর পুনরায় ফিরিয়ে আনাও আমাদের দায়িত্ব। আমরা অভিযোগ পেয়েছি যে পাশের একটি ভবন ভেঙে তার ইট ও খোয়া ব্যবহার করে পুকুরটি ভরাট করা হচ্ছিল। বিষয়টি বিভাগীয় কমিশনার স্যারের নজরে এলে তার নির্দেশে আমরা পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু করেছি, যাতে ভবিষ্যতে তারা আর পুকুরটি ভরাট করতে না পারে।’
বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন এবং বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পুকুরটির মালিকানা রয়েছে প্রায় ১০ থেকে ১৫ জনের। তবে ভরাট কাজে সরাসরি জড়িত ছিলেন মালিকপক্ষের ৭ থেকে ৮ জন। তাদের মধ্যে স্থানীয় আনার, আরিফ, চঞ্চল, সুমন, চন্দন ও তারা উল্লেখযোগ্য। রাজশাহী–ঢাকা মহাসড়কের পাশে থাকা এই জমি প্রায় এক বছর ধরে স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহায়তায় ধীরে ধীরে ভরাট করা হচ্ছিল। বিষয়টি জানার পর বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার (ভূমি) একাধিকবার ঘটনাস্থলে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন। তবে সতর্কতা উপেক্ষা করে ভরাট কার্যক্রম চালু রাখায় প্রশাসন এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় পুকুর ভরাট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাই পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করা হয়েছে। এই পুনঃখনন কাজে যে ব্যয় হবে, তা পুকুর ভরাটকারীদের কাছ থেকেই আদায় করা হবে। ভবিষ্যতে রাজশাহীতে কোনো পুকুর ভরাট করতে দেওয়া হবে না। খবর পেলেই কাজ বন্ধ করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে।’ তিনি আরও জানান, পুকুর পুনঃখনন শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সেখানে দায়িত্ব পালন করবেন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন বলেন, ‘পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে পুকুর ভরাট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ভরাটকৃত পুকুর পুনরায় ফিরিয়ে আনাও আমাদের দায়িত্ব। আমরা অভিযোগ পেয়েছি যে পাশের একটি ভবন ভেঙে তার ইট ও খোয়া ব্যবহার করে পুকুরটি ভরাট করা হচ্ছিল। বিষয়টি বিভাগীয় কমিশনার স্যারের নজরে এলে তার নির্দেশে আমরা পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু করেছি, যাতে ভবিষ্যতে তারা আর পুকুরটি ভরাট করতে না পারে।’
মিস আনিসা আক্তার :